* শিক্ষায় ছেলেদের পিছিয়ে থাকার কারণ খোঁজার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
* পাস ও জিপিএ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা
* বেড়েছে পাসের হার, কমেছে জিপিএ-৫
* ৫১ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল
* ১২ ক্যাডেট কলেজে পাসের হার শতভাগ
* ক্যাডেটের ৬শ’ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৯৮ জিপিএ-৫ পেয়ে রেকর্ড
* শতভাগ পাসের গৌরব অর্জন করা প্রতিষ্ঠান ২ হাজার ৯৬৮
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল গতকাল রোববার প্রকাশ করা হয়েছে। এবার পাসের হার ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ। এসএসসিতে প্রত্যাশিত ফল পেলে কেবল শিক্ষার্থী নয়, সেই অর্জন ছুঁয়ে যায় অভিভাবকরারও। স্কুলের গণ্ডি শেষ করে উচ্চশিক্ষার পথে একধাপ এগিয়ে যাওয়ার এমন আনন্দ শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে দেখা গেছে গতকাল রোববার ঢাকার বিভিন্ন স্কুলে। বেলা বাড়লে স্কুলগুলোতে ফল টানিয়ে দেয়া হয়। এরপর থেকেই শুরু হয় আনন্দ উদযাপন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল রোববার সকালে গণভবনে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন। পরে বেলা সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পরীক্ষার ফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
জানা যায়, ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৮৯ দশমিক ৯ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৭৯ দশমিক ২৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংখ্যা ১২ হাজার ১০০; যশোর বোর্ডে পাসের হার ৯২ দশমিক ৩২ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৮৯ দশমিক ১৩ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৭৮ দশমিক ৪০ শতাংশ, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৯ দশমিক ২৬ শতাংশ ও জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৮ হাজার ৭৪ জন। ৯টি সাধারণ, একটি মাদরাসা এবং একটি কারিগরি নিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফলের পরিসংখ্যান হস্তান্তর করেন। এ সময় শিক্ষায় মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের পিছিয়ে থাকার খোঁজার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ছেলে-মেয়েদের মেধা বিকাশের সুযোগ করে দিতে হবে। ছেলেরা মেয়েদের চেয়ে কেন পিছিয়ে আছে, সেটি খুঁজে বের করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বে প্রতিযোগিতা করার মতো শিক্ষা ব্যবস্থা গড়তে চায় সরকার। কেন ছেলে-মেয়েরা কিশোর গ্যাংয়ে যাবে, এর কারণ খুঁজে বের করতে হবে। তাদের এসব থেকে বিরত রেখে সুস্থ পরিবেশে আনতে হবে। শিক্ষানীতি সময়ের সঙ্গে পরিবর্ধন, পরিবর্তনের সুযোগ আছে। তিনি বলেন, শিক্ষার ব্যয়কে বিনিয়োগ মনে করে সরকার। শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবেশ তৈরি, শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, ছাত্রছাত্রীদের আগ্রহ তৈরি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটিই করতে চেয়েছে সরকার। সরকার অভিভাবকদেরও সচেতন করতে কাজ করেছে। শিক্ষিত জনগোষ্ঠী ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়। শিক্ষার ব্যয়কে বিনিয়োগ মনে করে সরকার। আওয়ামী লীগের চেষ্টা ছিল শিক্ষার বিষয়ে আগ্রহী করা। এর ফলে সাক্ষরতা ও শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেড়েছে। তবুও কেউ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকলে তাদের শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে ৬০ দিনের মধ্যে ফল পাচ্ছে। আগে মাসের পর মাস পেরিয়ে গেলেও ফলাফল পায়নি। আওয়ামী লীগ ফল প্রকাশ নিয়মের মধ্যে এনেছে। ’৭৫-এর পরে যারা সরকারে এসেছিল, তাদের সময় শিক্ষার পরিবেশ ছিল না। মেধাবীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে বিপথে নেয়া হয়, তখন সেশন জট ছিল। এমনকি তখন সাক্ষরতার হার বাড়েনি। শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমানে সাক্ষরতার হার প্রায় ৭৬ শতাংশ। ১৫ বছরে এটি বড় অর্জন। এবারে অধিকাংশ বোর্ডে ছাত্রীদের সংখ্যা বেশি। আওয়ামী লীগ নারী শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। তবে কেন ছাত্র কম, তার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। এ বিষয়ে দৃষ্টি দিতে হবে।
তিনি বলেন, সরকার বিনা পয়সায় বই ও বৃত্তি দিচ্ছে, কোভিডের সময় অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছিলাম। যারা কৃতকার্য হয়েছে তাদের অভিনন্দন। যারা কৃতকার্য হতে পারেনি মন খারাপের কিছু নেই। আবার ভালোভাবে উদ্যোগ নিলে আগামীবার পাস করবে। অকৃতকার্যদের অভিভাবকরা গালাগালি নয়, সহানুভূতিশীল হয়ে তাদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী করতে হবে। ডিজিটাল যুগের ছেলে- মেয়েদের মেধা অনেক বেশি, সেই মেধা বিকাশের সুযোগ করে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এই ১৫ বছরে সাক্ষরতার হার, কারিগরি শিক্ষা ও মেয়েদের শিক্ষার হার বেড়েছে। কেননা কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় আগ্রহী করতে নতুন বই বিনা পয়সায় দিচ্ছি। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের ব্রেইল বই দিচ্ছি। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ভাষায়ও বই দেয়া হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে প্রতি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয়, বিভাগে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, উপজেলায় টেকনিক্যাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করে দিচ্ছি। শুধু মুখস্থ বিদ্যা নয়, শিশুর মেধা-মনন বিকাশের সুযোগ দেয়ার লক্ষ্য রেখেই কারিকুলামে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। শিক্ষকদেরও বেতন ভাতা, সুযোগ বাড়িয়ে দিচ্ছে সরকার বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, প্রাক-প্রাথমিকে খেলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট দেশ গড়া লক্ষ্য। আজকের ছেলে-মেয়েরাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সোনার মানুষ সৃষ্টি করতে শিক্ষা অপরিহার্য। উচ্চশিক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীরা স্মার্ট বাংলাদেশের সৈনিক হবে প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর।
বরাবরের মতো এবারও এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে আছে। এ বছর সব শিক্ষা বোর্ডে উত্তীর্ণ মোট ছাত্রের চেয়ে ৫৯ হাজার ৪৭ জন বেশি ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ছাত্রের থেকে ১৫ হাজার ৪২৩ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এবার পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের সংখ্যা বেশি ছিল। পরীক্ষায় অংশ নেয় ৯ লাখ ৮৮ হাজার ৭৯৪ জন ছেলে এবং ১০ লাখ ২৪ হাজার ৮০৩ জন মেয়ে।
এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে উত্তীর্ণ মোট ছাত্রের চেয়ে ৯৭ হাজার ৯৭২ জন বেশী ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ছাত্রের চেয়ে ১৪ হাজার ৪৯১ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
এবার পরীক্ষায় মোট ২০ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫৩ জন। এর মধ্যে সব বোর্ড মিলিয়ে ৯ লাখ ৮৮ হাজার ৭৯৪ জন ছাত্র পরীক্ষায় বসে উত্তীর্ণ হয়েছে ৮ লাখ ৬ হাজার ৫৩৩ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩৫৩ জন। পাসের হার ৮১ দশমিক ৫৭ শতাংশ। আর ১০ লাখ ২৪ হাজার ৮০৩ জন ছাত্রী পরীক্ষার হলে বসে উত্তীর্ণ হয়েছে ৮ লাখ ৬৫ হাজার ৬০০ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৭৭৬ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ। চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বেড়েছে গড় পাসের হার। তবে কমেছে জিপিএ-৫ এর সংখ্যা। এবার গড় পাসের হার ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ শিক্ষার্থী। গত বছর পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ। সেই হিসাবে গতবারের তুলনায় এবার পাসের হার বেড়েছে ২ দশমিক ৬৫ শতাংশ। আর গত বার জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৭৮ জন। সেই তুলনায় জিপিএ-৫ কমেছে ১ হাজার ৪৪৯ জন। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ১২ মার্চ। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৩ থেকে ২০ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষায় ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়ার জন্য নিবন্ধন করে। তবে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ২০ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ জন।
১২ ক্যাডেট কলেজে পাসের হার: চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজসমূহ ঈর্ষণীয় ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ১২টি ক্যাডেট কলেজে পাসের হার শতভাগ। এছাড়া সর্বমোট ৬০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৯৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
গতকাল রোববার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে। আইএসপিআর জানায়, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ১২টি ক্যাডেট কলেজ থেকে সর্বমোট ৬০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৯৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার শতভাগ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৯.৬৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় ১২টি ক্যাডেট কলেজের জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার ছিল ৯৯.৮৩ শতাংশ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজগুলো প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল ও সভাপতি, ক্যাডেট কলেজ পরিচালনা পরিষদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শুধু ভালো ফলাফল অর্জনই নয়, বরং চৌকস ও সুনাগরিক হিসেবে ক্যাডেটদের গড়ে তোলাই ক্যাডেট কলেজগুলোর লক্ষ্য। এজন্য ক্যাডেটদের দৈনন্দিন কার্যক্রমে লেখাপড়ার পাশাপাশি চরিত্র গঠন ও সহশিক্ষা কার্যক্রমকে সমান গুরুত্ব দেয়া হয়। কলেজ থেকে শিক্ষা লাভের পর ক্যাডেটরা যেন বর্তমান যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছাতে পারে সেই লক্ষ্যে কলেজগুলোতে নতুন নতুন শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রম সংযুক্ত হচ্ছে। ক্যাডেট কলেজের ক্যাডেটদের ধারাবাহিক সাফল্যের পেছনে রয়েছে ক্যাডেট কলেজের আভ্যন্তরীণ সুশৃঙ্খল পরিবেশ, অভিজ্ঞ অনুষদ সদস্যদের সার্বক্ষণিক পরিচর্যা ও তদারকি, ক্যাডেটদের অধ্যবসায়, নিয়মিত পড়াশোনা এবং আন্তরিক প্রচেষ্টা। ক্যাডেট কলেজ পরিচালনা পরিষদের সুষ্ঠু দিকনির্দেশনা, ক্যাডেট কলেজগুলোর অভিজ্ঞ ও যোগ্যতাসম্পন্ন অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, অনুষদ সদস্যরা, কর্মকর্তা এবং কলেজে কর্মরত সব শ্রেণির ব্যক্তিদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সম্মানিত অভিভাবকদের সহযোগিতায় এ সাফল্যজনক ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে গড় পাসের হার ৮৩.০৪ শতাংশ। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৯২ শতাংশ, বরিশালে ৮৯ দশমিক ১৩ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ, কুমিল্লায় ৭৯ দশমিক ২৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৭৮ দশমিক ৪০ শতাংশ, রাজশাহীতে ৮৯ দশমিক ২৬ শতাংশ, সিলেটে ৭৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ, ময়মনসিংহ ৮৪ দশমিক ৯৭ শতাংশ ও যশোরে ৯২ দশমিক ৩২ শতাংশ। আর মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৭৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় গত ১২ মার্চ। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৩ থেকে ২০ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ
পাসের হার ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ
- আপলোড সময় : ১৩-০৫-২০২৪ ১২:১১:৫২ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৩-০৫-২০২৪ ১২:১৫:৫৮ পূর্বাহ্ন


কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ